লোন বিভিন্ন প্রকার হতে পারে এবং এদের উদ্দেশ্য ও শর্তাবলী ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রধানত লোনকে দুটি broad শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:
১. Secured Loan (বন্ধকী ঋণ): এই প্রকার লোনের জন্য ঋণগ্রহীতাকে কোনো সম্পদ জামানত হিসেবে রাখতে হয়। যদি ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন, তবে ঋণদাতা সেই জামানত বিক্রি করে তাদের অর্থ উদ্ধার করতে পারে।
. হোম লোন (Home Loan): বাড়ি কেনা বা তৈরির জন্য এই লোন নেওয়া হয়। এখানে সম্পত্তি বন্ধক হিসেবে থাকে।
. কার লোন (Car Loan): গাড়ি কেনার জন্য এই লোন নেওয়া হয় এবং গাড়িটি ঋণের জামানত হিসেবে গণ্য হয়।
. অন্যান্য Secured Loan: স্বর্ণালঙ্কার, ফিক্সড ডিপোজিট বা সরকারি বন্ডের বিপরীতেও লোন পাওয়া যায়।
২. Unsecured Loan (অবন্ধকী ঋণ): এই প্রকার লোনের জন্য কোনো জামানতের প্রয়োজন হয় না। ঋণদাতার ঋণগ্রহীতার ক্রেডিট স্কোর এবং আর্থিক ইতিহাসের উপর নির্ভর করে লোন প্রদান করে।
. পার্সোনাল লোন (Personal Loan): ব্যক্তিগত প্রয়োজন যেমন - চিকিৎসা, ভ্রমণ, শিক্ষা বা অন্য কোনো খরচ মেটানোর জন্য এই লোন নেওয়া হয়।
. ক্রেডিট কার্ড লোন (Credit Card Loan): ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যে ঋণ নেওয়া হয়, সেটিও এক প্রকার unsecured loan।
. স্টুডেন্ট লোন (Student Loan): শিক্ষা সংক্রান্ত খরচ মেটানোর জন্য এই লোন নেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে এর শর্তাবলী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
এছাড়াও, লোনের মেয়াদ এবং পরিশোধের ধরনের উপর ভিত্তি করে আরও কিছু শ্রেণীবিভাগ দেখা যায়:
. স্বল্পমেয়াদী লোন (Short-term Loan): সাধারণত এক বছরের কম সময়ের জন্য এই লোন নেওয়া হয়।
. দীর্ঘমেয়াদী লোন (Long-term Loan): দীর্ঘ সময়ের জন্য, যেমন - গৃহ ঋণ বা শিক্ষা ঋণ নেওয়া হয়।
. কিস্তিভিত্তিক লোন (Term Loan): একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কিস্তিতে এই লোন পরিশোধ করতে হয়।
. রিভলভিং লোন (Revolving Loan): এই লোনের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ক্রেডিট লিমিট থাকে এবং গ্রাহক প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা তুলতে ও জমা দিতে পারে। ক্রেডিট কার্ড এর একটি উদাহরণ।
বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের লোন প্রদান করে থাকে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক লোনটি বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
0 Comments