মুরগির মাংসের এবং ডিমের বাজার পরিসংখ্যান।

 বাংলাদেশের মুরগির মাংস এবং ডিমের বাজার পরিসংখ্যান নিচে দেওয়া হলো:

ডিমের বাজার:

 * মোট উৎপাদন: বছরে প্রায় ২৩.৩৭ বিলিয়ন ডিম উৎপাদিত হয়।

 * দৈনিক উৎপাদন: দৈনিক প্রায় ৫ কোটি ডিম উৎপাদিত হয়।

 * খামারের সংখ্যা: প্রায় ৭০,০০০ বাণিজ্যিক লেয়ার মুরগির খামার রয়েছে।

 * প্রবৃদ্ধির হার: বাণিজ্যিক পোল্ট্রি খামারের সংখ্যা বছরে প্রায় ১৫% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 * চাহিদা: দৈনিক ডিমের চাহিদা ৫ কোটি।

 * মাথাপিছু ভোগ: বর্তমানে ডিমের মাথাপিছু ভোগ বছরে প্রায় ১০৪টি।

 * কর্মসংস্থান: ডিম উৎপাদন এবং বিপণন খাতে প্রায় ১ মিলিয়ন উদ্যোক্তা এবং ৮ মিলিয়ন মানুষ নিয়োজিত।

Google.com


মুরগির মাংসের বাজার:

 * মোট উৎপাদন: বছরে প্রায় ১.৪৬ মিলিয়ন টন মুরগির মাংস উৎপাদিত হয়।

 * দৈনিক উৎপাদন: দৈনিক প্রায় ২.৫ মিলিয়ন মুরগি উৎপাদিত হয়।

 * প্রবৃদ্ধির হার: পোল্ট্রি সেক্টরে বছরে প্রায় ১৫% হারে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে আশা করা যায়।

 * মাথাপিছু ভোগ: বর্তমানে মুরগির মাংসের মাথাপিছু ভোগ বছরে প্রায় ৬.৩ কেজি।

 * মোট মাংস ভোগের অংশ: মোট মাংস ভোগের প্রায় ৪০% আসে পোল্ট্রি থেকে।

 * কর্মসংস্থান: ডিমের বাজারের মতোই এই খাতেও বিপুল সংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:

 * বাংলাদেশের পোল্ট্রি শিল্প দ্রুত বিকাশ লাভ করছে এবং বাণিজ্যিক খামারগুলো বাড়ছে।

 * কোভিড-১৯ pandemic এর কারণে অনেক খামার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

 * শহুরে এলাকায় প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংসের চাহিদা বাড়ছে।

 * ধারণা করা হচ্ছে ২০২৫ সালে মাথাপিছু পোল্ট্রি মাংসের ভোগ ৭ কেজিতে পৌঁছাবে এবং বার্ষিক উৎপাদন ২ মিলিয়ন টনে উন্নীত হবে।

 * ২০২৫ সালের মধ্যে চাহিদা মেটাতে ১৭ বিলিয়ন ডিম এবং ২ মিলিয়ন টন মাংসের প্রয়োজন হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এই পরিসংখ্যানগুলো বাংলাদেশের মুরগির মাংস এবং ডিমের বাজারের একটি সামগ্রিক চিত্র প্রদান করে। তবে, বাজারের গতিশীলতা এবং অন্যান্য কারণের উপর ভিত্তি করে এই সংখ্যাগুলি কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য, সরকারি ডেটা এবং পোল্ট্রি শিল্প বিষয়ক গবেষণা প্রতিবেদন দেখা যেতে পারে।



Post a Comment

0 Comments